আদিত্য সেন

সর্বভারতীয় বেতার তরঙ্গে সংবাদ সম্পাদক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। সকাল আটটা আর রাত ন’টার ইংরেজি সংবাদ তিরিশ বছরের কর্মক্ষেত্রে তাঁর অন্যতম অবদান। এরপর বছর চারেক ভারত সরকারের খাদ্যদপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন তিনি। ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট এবং ভারত সরকারের “সৈনিক সমাচার” পত্রিকার-বাংলা বিভাগের সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন আদিত্য সেন।

Aditya Sen

Book Your Copy Here

Mon Kalam Prakashan Sanstha

BJ-169, Salt Lake, Kolkata – 700 091, India

WhatsApp: (+91) 877 785 1048

Now Available

কর্মব্যস্ত জীবনের ফাঁকে সাহিত্যচর্চা করেছেন নিয়মিত। আজ পর্যন্ত লিখেছেন চোদ্দোটি উপন্যাস। চতুর্থ শতকের বঙ্গবাসির চরিত্র বিশ্লেষণ করা “প্যারাসাইট”, কর্মক্ষেত্রে রাজনীতির অনধিকার প্রবেশ নিয়ে দেশভাগের পরবর্তী সময়ের দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত “গণেশ টাওয়ার”, বা এক চিত্রশিল্পীর দৃষ্টিতে রাজস্থান নিয়ে রচিত “রঙে রেখায় রাজপুতানা” তাদের মধ্যে অন্যতম। অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে তিন খন্ডে রচিত গবেষণামূলক উপন্যাস “নিরন্ন”। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ভারতের রাজনৈতিক আবহ, নেতাজীর আবির্ভাব, দুর্ভিক্ষ ইত্যাদি নানা ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর বিবরণ এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।

উপন্যাস ছাড়াও নাটক এবং ছোট গল্পও তাঁর অবাধ বিচরণভূমি। সাংবাদিকতা এবং সাহিত্য বিষয়ে তাঁর মনোজ্ঞ আলোচনা একসময় অল ইন্ডিয়া রেডিও-র শিলিগুড়ি শাখা থেকে প্রচারিত হতো। যেমন আশির দশকে অল ইন্ডিয়া রেডিও-র বাংলা বিভাগে প্রচারিত হতো তৎকালীন দিল্লী নিয়ে তাঁর নিউজ বুলেটিন – “রাজধানীর চিঠি”।

দিল্লী থেকে প্রকাশিত বাংলা পত্রিকা “ইন্দ্রপ্রস্থ”-র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন তিনি। ২০১১ সালে কোলকাতা বইমেলায় পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড প্রদত্ত বাংলার বাইরে থেকে প্রকাশিত সেরা বাংলা পত্রিকার সম্মান অর্জন করে “উন্মুক্ত উচ্ছ্বাস”। বিগত দুই দশক ধরে আদিত্য সেন এই পত্রিকার যুগ্ম-সম্পাদক।

সুদীর্ঘ সাহিত্যজীবনে নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি। নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলন তাঁকে ‘৯৮ সালে ডঃ সুরেন্দ্রনাথ সেন স্মৃতি পুরস্কারে সম্মানিত করে। ২০০৬ সালে সাহিত্যক্ষেত্রে তাঁর অবদানকে স্বীকৃতি দেন ভারত-বাংলাদেশ সাহিত্য সংস্কৃতি সম্মেলন। এছাড়াও আরো নানা পুরস্কারে অলঙ্কৃত তাঁর সাহিত্যচর্চা।

You cannot copy content of this page